সরকারি অনুমোদিত এজেন্সি · হজ লাইসেন্স নং ১৩০৪ ডিলাইট ইন্টারন্যাশনাল কাফেলা
ওমরা মাসআলা
হোম / ওমরার বিধান ও মাসআলা
শরীয়াহ ও ফিকহ গাইড

ওমরা সম্পর্কিত মাসআলা ও ধারাবাহিক নিয়মাবলী

ওমরার আধুনিক মাসআলা-মাসায়েল এবং ইহরাম থেকে হলক/কসর পর্যন্ত ওমরা পালনের ৪টি মূল রুকনের ধারাবাহিক নির্দেশিকা।

আধুনিক যুগের ওমরার মাসআলা

বিমানে মীকাত অতিক্রমের পূর্বে ইহরাম, ইলেকট্রিক স্কুটার বা হুইলচেয়ারে তাওয়াফ ও সাঈ এবং আধুনিক বিষয়াবলীর শরঈ সমাধান।

আধুনিক বিষয়াবলী আধুনিক মাসআলা

বিমানে ভ্রমণের ক্ষেত্রে কোথা থেকে ইহরাম বাঁধতে হবে?

প্রশ্ন: বাংলাদেশ থেকে জেদ্দা যাওয়ার পথে বিমানে থাকাকালীন মীকাত অতিক্রমের পূর্বে ইহরামের কাপড় পরিধান ও নিয়ত করার সঠিক নিয়ম কী?
শরঈ সমাধান: বাংলাদেশ থেকে আকাশপথে সরাসরি জেদ্দা যাওয়ার ক্ষেত্রে বিমানে মীকাত (সাধারণত যাতুল ইরক বা ইয়ালামলাম) অতিক্রম করার অন্তত ৩০-৪৫ মিনিট পূর্বেই ইহরামের কাপড় পরে নিতে হবে। তবে বিমানবন্দর থেকে বা বাসা থেকেই ইহরামের কাপড় পরে বিমানে ওঠা উত্তম। বিমান মীকাতের কাছাকাছি পৌঁছালে পাইলট বা ক্রু কর্তৃক ঘোষণা দিলে তখনই নিয়ত করে তালবিয়া (লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক) পাঠ করে ইহরামে প্রবেশ করতে হবে। মীকাত পার হওয়ার পর নিয়ত করলে দম (কুরবানি কাফফারা) ওয়াজিব হবে।
রেফারেন্স: মুআল্লিমুল হুজ্জাজ পৃ. ৮৪, আহসানুল ফাতাওয়া ৪/৫১৬
আধুনিক বিষয়াবলী আধুনিক মাসআলা

রোবোটিক বা ইলেকট্রিক হুইলচেয়ারে তাওয়াফ ও সাঈ করার বিধান কী?

প্রশ্ন: মসজিদুল হারামের নির্ধারিত ছাদে আধুনিক ইলেকট্রিক স্কুটার বা মোটরাইজড হুইলচেয়ারে তাওয়াফ ও সাঈ করা কি জায়েজ?
শরঈ সমাধান: যাঁরা শারীরিকভাবে অসুস্থ, বার্ধক্যগ্রস্ত বা দুর্বল এবং পায়ে হেঁটে তাওয়াফ বা সাঈ করতে অক্ষম, তাঁদের জন্য ইলেকট্রিক হুইলচেয়ার বা স্কুটার ব্যবহার করে তাওয়াফ ও সাঈ করা সম্পূর্ণরূপে জায়েজ। তবে কোনো ওজর ছাড়া সক্ষম ব্যক্তির জন্য হেঁটে তাওয়াফ ও সাঈ করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা ও উত্তম।
রেফারেন্স: ফাতাওয়া দারুল উলুম দেওবন্দ ৭/৩১২, জাওয়াহিরুল ফিকহ ১/৪৪১
আধুনিক বিষয়াবলী আধুনিক মাসআলা

স্মার্টফোনে কোরআন বা দুআর অ্যাপ দেখে তাওয়াফ করার হুকুম কী?

প্রশ্ন: তাওয়াফের সময় মোবাইলের স্ক্রিনে দুআ দেখে দেখে পড়া কি জায়েজ?
শরঈ সমাধান: হ্যাঁ, মোবাইলে দুআ বা কোরআনের আয়াত দেখে পড়া জায়েজ। তবে সতর্ক থাকতে হবে যেন মোবাইল ব্যবহারের কারণে তাওয়াফের খুশু-খুজু ও মনোযোগ নষ্ট না হয় এবং অন্যের তাওয়াফে ব্যাঘাত না ঘটে। খেয়ালখুশি ছবি বা সেলফি তোলা থেকে বিরত থাকা একান্ত আবশ্যক।
রেফারেন্স: রদ্দুল মুহতার ২/৪৯৬